অবাক মুগ্ধতায় ভরা আশ্চর্য ‘হা লং বে’

প্রায় একযুগ আগে প্রাকৃতিক সপ্তাচার্য নির্বাচনে বিশ্বজুড়ে ইউনেস্কোর ভোটগ্রহণকালে আমরা আমাদের শহর রাঙামাটিতেও সুন্দরবন ও কক্সবাজারকে জেতাতে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়েছিলাম,ফ্রিতে ভোটগ্রহণ করে। কিন্তু আমাদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে শেষাবধি ভিয়েতমানের হা লং বে নামক একটি স্থানের কাছেই হেরে গেলাম আমরা। সেই থেকে হালং বে নিয়ে আমার ব্যাপক আগ্রহ আমার। এই আগ্রহের মাত্রায় আরো ঘি ঢেলে দিলেন রাঙামাটি পর্যটনের তৎকালিন ব্যবস্থাপক জাকির হোসেন ভাই। তিনি আমার রাগ ক্ষোভ অভিমান দেখে বললেন, এলাহী ভাই আমার কাছে একটা সিডি আছে হালং বে নিয়ে (তখনো ইউটিউব অতটা জনপ্রিয় কোন মাধ্যম নয় সম্ভবত)। তিনি সেটি আমাকে দিলেন। আমি কিছুটা বিরক্তি নিয়ে ঘরের পিসিতে সিডিটি চালু করলাম। একি ! কি দেখছি আমি ! এত্ত সুন্দর কি করে হয় একটা জায়গা ! অবিশ্বাস্য সুন্দর !

এই জেটি থেকেই ছোট বোটে করে যেতে হয় বড় জাহাজে

আমি সিডিটি দেখা শেষ করার আগেই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে পৌঁছে যাই,না আমার আবেগ ঠুনকো,হালং বে’ই সঠিক নির্বাচিত হওয়াটা। এরও বহু বছর আগেই ১৯৯৪ সালে ইউনেস্কো হালং উপসাগরকে ‘বিশ্ব ঐতিহ্য বা ওয়াল্ড হেরিটেজ সাইট’হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। আমার দেখা সেই সিডিটি ছিলো মূলত: হালং বে নিয়ে একটি ডমুমেন্টারি। সেই থেকে আমার স্বপ্ন একদিন যাবই সেখানে।

যাওয়ার পথে এই ভাস্কর্য বাগান সম্বলিত রেস্টুরেন্টে দেয়া হয় বিরতি

স্বপ্নসাগরের পথে যাত্রা
স্বপ্ন পূর্ণতা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলো ২০১৯ সালে। দক্ষিন পূর্ব এশিয়া সফরে। মিয়ানমার থেকে শুরু হওয়া সেই সফরে দ্বিতীয় দেশটিই ছিলো আমার ভিয়েতনাম। মনে পড়ে,যেদিন ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় পৌঁছাই সেদিনই হোটেল কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পরদিন সকালেই হালং বে যাওয়ার ও সেখানে এক রাত থাকার বন্দোবস্ত চূড়ান্ত করি ১৫০ ডলারে। যে প্ল্যান সেই কাজ।

হালং উপসাগরে এমন সারি সারি বোটে রাত্রিযাপন করেন পর্যটকরা

পরদিন সকালেই হোটেলের সামনে হাজির ট্রাভেল কোম্পানীর শীতাতপ গাড়ী। দীর্ঘ সড়কপথ চলার পর গাড়ী আমাদের নিয়ে গেলো হালং শহরের জেটিঘাটে। সেখানে নানার রঙের,নানা আকারের শিপ। একটি শিপে করে আমাদের ভাসান শুরু হলো হা লং উপসাগরে। শুরুতেই দেয়া হলো ‘ওয়েলকাম ড্রিংকস’। এরপর পরিচিতি পর্বে পরিচয় হলো প্রায় দুইদিন যাদের সাথে কাটবে সেই সহযাত্রীদের সাথে। মোটামুটি সবাই কাপল,নানান বয়সী। ভিয়েতনামের স্থানীয় সদ্য বিবাহিদ দম্পতি যেমন ছিলো, তেমনি ছিলো অস্ট্রেলিয়ায় কিংবন্তী ক্রিকেটার শেনওয়ার্ন এর প্রতিবেশি একটি দম্পতি এবং তাদের ফুটফুটে একটি শিশু।

আমাদের জাহাজে আমরা যারা ছিলাম

ছিলো বিখ্যাত ফরাসী ফটোগ্রাফার জিয়ান মেরি ক্রাস এবং তার কবি ইসাবেলা বইস ক্রাস । শুরুতেই দারুন সম্পর্ক হয়ে গেলো আমাদের সবার। বিশেষত ফরাসী দম্পতির সাথে। কি যে মায়া আর মমতায় ভরা একটি প্রানবন্ত যুগল ! সারাজীবন মনে রাখব এই দুজনকে। আর আমাদের গাইড ত্রান থোয়াই তো অসাধারন একজন ভালো মানুষ ও ভীষণ সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ তার।

আমাদের ভিয়েতনামিজ স্থানীয় গাউড,চমৎকার ইংরেজি বলা স্মার্ট ছেলে ত্রান থোয়াই
মানুষ এত্ত ভালো হয় ! প্রিয় ফরাসি সেই দম্পতি..

হা লং বে কি ?
ভিয়েতনামী শব্দ ‘হা লং’ অর্থ ‘ভূমিতে নেমে আসা ড্রাগন।’ স্থানীয়রা এই উপসাগরকে ভিন হা লং নামে ডাকে। হা লং বে’কে নিয়ে একটি লোককাহিনীও আছে- ভিয়েতনামবাসীরা যখন দেশের উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে, তখন দস্যুদের সঙ্গে তাদের প্রায়ই যুদ্ধ বাধত তাদের। দস্যুদের হাত থেকে রক্ষার জন্য সে সময় ঈশ্বর রক্ষাকর্তা হিসেবে একটি ড্রাগন পরিবারকে পাঠায়। ড্রাগনদের মুখের থুথু থেকে মণি-মানিক্য নির্গত হয়ে সাগরে পড়ে। মুক্তাগুলো সাগরে ছয়ে আছে আর পাথরগুলো পরস্পর একত্রিত হয়ে দস্যুদের প্রতিরক্ষা ব্যুহ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

মুক্তার তৈরির খামার ! পুরো প্রক্রিয়াটিই দেখানো হয় সেখানে…

যখন দস্যুদের জাহাজ আক্রমণ করতে আসে তখন পাহাড়লোতে এবং পাহাড়ক পাশ কেটে যেতে গিয়ে একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ধ্বংস হয়ে যায়। যুদ্ধের পরে ড্রাগনরা এই শান্তিময় স্থানে বাস করার ইচ্ছা পোষণ করে। যেখানে মা ড্রাগনরা অবতরণ করেছে, সেই স্থানের নাম হয়েছে ‘হা লং’ আর যেখানে শিশু ড্রাগনরা মায়ে সাথে থাকতো, সেই স্থানের নাম হয়ে ‘বাই তু লং দ্বীপ।

হা লং উপসাগর এর বুকে একজন ফজলে এলাহী…

কুয়াংনি প্রদেশে অবস্থিত হা লং শহরের নামেই হা লং উপসাগর । উপসাগরটির আয়তন ১৫৫৩ বর্গকিলোমিটার। এর স্বচ্ছ নীল পানিতে রয়েছে নানা ধরনের চুনাপাথর, যা এর সৌন্দর্যকে বাড়তি মাত্রা দিয়েছে ।

আগ্রহীরা ফ্রি তে কায়াকিং করতে পারেন

ধারণা করা হয়, চুনাপাথরগুলো সৃষ্টি হয়েছে ৫০ কোটি বছর আগে। উপসাগর জুড়ে এসব চুনাপাথরের অসংখ্য পাহাড়। এখানকার গড় তাপমাত্রা ১৫-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হা লং বে-তে রয়েছে ৯২৮টি দ্বীপ। তবে বড় দ্বীপ রয়েছে মাত্র দুটি। হা লং উপসাগরে রয়েছে প্রায় ১৪ প্রজাতির ফুল, ২০০ প্রজাতির মাছ, মালাস্কা পর্বভুক্ত ৪৫০ ধরনের প্রাণী। এই উপসাগরে রয়েছে চারটি ভাসমান গ্রাম,যাদের প্রায় সবাই মৎস্যজীবী।

টিটপ আইল্যান্ড

কি দেখবেন হালং-এ
হালং উপসাগর ট্যুরে শুধু শত শত অদ্ভূত দর্শন দ্বীপ আর সাগর দর্শনই নয়,দেখা মিলবে কিভাবে ঝিনুক থেকে মুক্তা তৈরি হয়,তার পুরো প্রক্রিয়া,প্রায় শতাধিক পাথুরে সিড়ি বেয়ে উঠানামার বেদনা ভুলে যাবেন ‘স্রাপ্রাইজ ক্যাভ’ নামের ভয়াল দর্শন অবাক করা এক গুহা দেখে,১৯০১ সালে ভিয়েতনাম যখন ফরাসীদের শাসনে,তখন এই গুহাটি আবিষ্কৃত হয়,যা ১৯৯৩ সাল থেকে পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হয়। গুহার ভেতরে প্রাকৃতিক এবং মনুষ্যসৃষ্ট শিল্পকর্ম দেখলে বিস্মিত হবে যে কেউই। এরপর সাগরের দর্শনীয় একাধিক দ্বীপ পরিদর্শনের পাশাপাশি বড় বড় পাথুরে দ্বীপগুলোর একটির পাশে জাহাজ নোঙর করে কায়াকিং এর জন্য। আগ্রহীরা এখানে ফ্রিতে কায়াকিং করতে পারেন বেশ কিছুটা সময়। লুয়ন কেভ হ্রদের এই অংশটাতে সাগরের ঢেই নেই,নেই তেমন ঝুঁকিও।

’কায়াকিংয়ের পর নিয়ে যাওয়া হবে টিটপ আইল্যান্ডে। উপকূল থেকে সাগরের গভীরে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরের এই টিটপ আইল্যান্ড ভিয়েতনামের স্বাধীনতাযুদ্ধের এক অনন্য ইতিহাসের সাক্ষী। এর নামকরণ হয়েছে বিখ্যাত রুশ মহাকাশচারী জার্মান স্টেপ্যানোভিচ তিতভ এর নামে। বলা হয়ে থাকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধের সময় এই দ্বীপে তিতভকে নিয়ে এসেছিলেন আংকেল হো বা হো চি মিন। ১৯৬২ সালে তাদের এই পরিদর্শনের পর থেকেই দ্বীপটির নাম রাখা হয় টিটপ আইল্যান্ড। দেখা হবে থ্রিপিচ আইল্যান্ড,তুংসাউ পার্লফার্ম,তিএনওং কেভ,ফিঙ্গার আইল্যান্ডও।

সাগরের পাড়ে একটু নিজেকে ভিজিয়ে নেয়া

কিভাবে যেনো বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যা। সন্ধ্যার আহারের বৈচিত্রপূর্ণ আয়োজন। কে নেই মেন্যুতে। সাগরের তাজা মাছ থেকে শুরু করে আরো কত কিছু ! খাবার মূলত প্যাকেজেই। বাড়তি কিছু খেতে চাইলে আপনি নিজে কিনে নিতে পারবেন কাউন্টার থেকে।

রাতের খাবার সেড়ে যে যার রুমে। রুমে কি আর যাওয়া হয় ? আবার ঘুরে এসে জাহাজের ডেকে আড্ডা। এ আড্ডার দৃশ্য শুধু আমাদের জাহাজেই নয়,পুরো উপসাগর জুড়ে শত শত ট্যুরিস্টবাহি জাহাজের ডেকের। কোথাও থেকে ভেসে আসছে গিটার হাতে বন্ধুদের গান,কোন জাহাজ থেকে মাউথঅর্গানের সুর,কিংবা উচ্ছসিত হাসির আওয়াজ। যেনো সাগরের বুকে উৎসব চলছে। আমরাও অনেক রাত অবধি আড্ডা দিলাম,বিশেষত ফরাসী দম্পতির সাথে। কি যে অসাধারণ মানুষ তারা দুজন,ভ্রমণের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা আর জ্ঞানের ভান্ডার তাদের। আমিও ঋদ্ধ্য হলাম তাদের সান্নিধ্যে।

সেই রহস্য গুহা

সকালে ঘুম ভাঙ্গা সকালে কঠিন একটা কাজ,সবাইকে নিজের জন্য একটি নাস্তার আইটেম বানাতে হবে ! আমার তো মাথায় হাত ! জীবনে ডিম ভাজি ছাড়া আর কিছুই শিখলাম নাহ। কি যে করি । যদিও তারা শিখিয়ে দেয়,তবুও হতচ্ছারা আমার সাহায্যে এগিয়ে এলো সেই ফরাসী নারী,তার আন্তরিক সহযোগিতায় কোনরকম পাড় পেলাম। এরপর কফি পান শেষে আবার আমাদের যাত্রা শুরু সাগর তীরের দিকে।

এত উঁচু পাহাড়ে সিঁড়ি বেয়ে কি করে উঠেছি আমি !

সেখানে পৌঁছে আবার নির্ধারিত গাড়ী ধরে হোটেল অভিমূখে যাত্রা। যাওয়া কিংবা আসার পথে যে অসাধারন রেস্টুরেন্টটিতে দাঁড়ায় এপথের প্রায় সব গাড়ী সেটি ভিয়েতনাম সরকারের আরেকটি অসাধারণ উদ্যোগ,সারি সারি অজস্র ভাস্কর্য অন্যমাত্রা দিয়েছে সেই প্রদর্শনীকেন্দ্র কাম রেস্টুরেন্টটিকে। সেখানে ঘন্টাখানেকের যাত্রা বিরতি শেষে ফের হ্যানয়ের উদ্দেশ্যে রওনা। যখন হ্যানয়ে হোটেলে পৌঁছালাম তখন মোটামুটি সন্ধ্যা প্রায়। মানে পুরো ট্যুরটি আপনাকে দুইদিনের সময় দিতেই হবে। তবে অনেকেই হা লং উপসাগরে রাত্রিযাপন না করে সকালে গিয়ে ঘুরেফিরে আবার সন্ধ্যায় ফিরে আসেন।

ভিয়েতনামিজ সঙ্গী সেই নব দম্পত্তি

সেইক্ষেত্রে কিছু অর্থ সাশ্রয় হলেও হা লং এর রাতের সৌন্দর্য্য দেখাটা থেকে বঞ্চিত হবেন নিশ্চিত। আবার আপনি চাইলে হ্যানয় শহরেও থাকতে পারেন,সেখানেও প্রচুর হোটেল মোটেল আছে। সেইক্ষেত্রে দীর্ঘযাত্রার ধকল যেমন থাকবে না,তেমনি হা লং শহরেও বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান বাড়তি হিসেবে দেখে নিতে পারবেন। সামান্য কিছু টাকার জন্য জীবনের অসাধারন একটি অভিজ্ঞতার সুযোগ নষ্ট করা অনুচিত হবে। যারা মোটর সাইকেল চালাতে জানেন এবং ট্রাফিক আইন সহজেই আত্বসস্থ করে নিতে পারেন,তাদের জন্য ভিয়েতনামের যেকোন শহরই সোনায় সোহাগা। এখানে ভাড়ায় মোটর সাইকেল পাওয়া যায়। আপনি সহজেই মোটরবাইক নিয়ে দ্রুততম সময়েই যেকোন ভ্রমন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারবেন স্বল্প খরচে ও স্বল্প সময়ে।

তবে বিদাং হা লং বে…

কখন যাবেন
হা লং বে ভ্রমনের সবচে ভালো সময় মার্চ থেকে জুন কিংবা অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর। একটু সাশ্রয়ী ভ্রমন করতে চাইলে সরকারি ছুটির দিনগুলো এড়াতে হবে আপনাকে। এসময় সবকিছুই ব্যয়বহুল হয় টুরিষ্টনির্ভর এই শহরে।

কিভাবে যাবেন
বাংলাদেশ থেকে ভিয়েতনামে সরাসরি কোন ফ্লাইট আছে কোন কোন অপারেটর এর অথবা আপনি ব্যাংকক কিংবা সিঙ্গাপুর হয়েও যেতে পারেন আকাশপথে। ঢাকা থেকে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস, থাই লায়ন কিংবা মালিন্দো এয়ারে যেতে পারেন হ্যানয়। ভাড়া কমবেশি ২৫ থেকে ৩৫ হাজার হতে পারে (স্বাভাবিক সময়ে)।

ভিসা পাওয়া খুব একটা কঠিন কাজ নয়। হ্যানয় থেকে হালং এর দুরত্ব প্রায় ১৬৫ কিলোমিটার। সময় লাগে প্রায় চার ঘন্টা। হ্যানয় শহরে আপনার হোটেলের রিসেপশনেই বিস্তারিত তথ্য পাবেন হালং বে সহ সকল টুরিস্ট স্পটের তথ্য। একটু বুদ্ধি করি নিজেওর গুগল ঘেটে তথ্য জেনে নিতে পারবেন কিংবা হোটেলের আশেপাশেই দেখবেন অজস্র ট্যুর অপারেটরের অফিস। তাদের সাথেও কথা বলে জেনে নিতে পারেন অনেক তথ্য।

হা লং বে : যাকে দেখা শেষ হবেনা কখনো…

আচ্ছা, আমিতো একা গিয়েছিলাম হা লং বে, আপনিও কি একাই যাবেন ? উ হুঁ,মোটেই ঠিক হবেনা। কারণ পৃথিবীর সুন্দরতম এই স্থানটিতে নি:সঙ্গতার রঙ যতই সুতীব্রই হোক না কেনো,পাশে কেউ না থাকলে সে ঠিক দ্যোতনা ছড়াবে নাহ্,নিশ্চিত ! সুতরাং,সারা দুনিয়া এক ঘুরলেও হা লং বে’তে অন্তত সঙ্গী হিসেবে প্রিয়তম কেউ যেনো পাশে থাকে আপনার,নতুবা আফসোস করবেন বাকিটা জীবন,ঠিক আমারই মতো !

 

 

Check Also

বাড়ীর পাশে আরশীনগর : চেনা রেঙ্গুন-অচেনা ইয়াংগুন

সিদ্ধান্তটা সাহসীই ছিলো বৈকি, দুই প্রতিবেশী দেশের বৈরিতা আর ঘৃণার বাতাস যখন বেশ প্রবলভাবেই বহমান, …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

thirteen − two =