আমি নির্বাক হলে,তোমাদের পতন অনিবার্য

ভীষণ ভাবনায় ফেলে দিয়েছি তোমাদের-সে আমি জানি। আমিও কম ভাবনায় আছি? তোমাদের তো এমন করার কথা ছিলোনা। ৭১-এ অস্ত্রহাতে যুদ্ধ করেছিলো তোমরা গড়ে তুলতে একটি শুদ্ধ স্বদেশ ভূমি। রক্ত দিয়েছো,জীবন দিয়েছে তোমাদের কত শত ভাই-বন্ধু-সহপাঠী। তারপরই না এলো মুক্তি-স্বাধীনতা। ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত,দুই লক্ষ মা বোনের আত্মত্যাগ আরো কত ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হলো স্বাধীনতা। ভাসানী থেকে বঙ্গবন্ধু,শহীদ জিয়া থেকে তাজউদ্দীন কত জন কতভাবে ভূমিকা রাখলো স্বাধীনতা অর্জনে। এরপর———স্বাধীন স্বদেশেও দেশ গড়ার জন্য তোমার-তোমাদের প্রানান্ত প্রচেষ্টা। তবুও নানা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত সর্বত্র। দেশ এগিয়ে চলল। ডিঙ্গিয়ে দেশী বিদেশী কূটচাল। কিন্তু কই বাঁচানো গেলোনা সর্বকারের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালী বঙ্গবন্ধূকে। কি ভয়াবহ নির্মমতায় স্ত্রী-সন্তান পরিজনসহ তাকে পৈষাশিকভাবে হত্যা করে একদল জঘন্য মানুষ। এরপর দীর্ঘ দাহকাল। পাঁজরের মানচিত্র জুড়ে শুরু হয় খান্ডবদাহন। এখানে সেখানে কত কি ! মুক্তি মেলেনা। আসে একের পর এক জলপাইরঙী শাসন। রক্ত ঝড়ে স্বদেশী সেনার বারাবার,নানাভাবে,নানাবৃত্তে আর নানা বিপ্লবে-বিদ্রোহে। সাথে যোগ হয় বাবুল-মোস্তাফিজ-দিপালী সাহা-নূর হোসেন-ডাঃ মিলন,আর কত———-। পরবাস থেকে ফিরে আসে জায়া,কাঁকন পড়া হাত ফেলে মাঠে আসে সহধর্মীনি। এরপর কত বদল,কত পূর্ণিমায় আর রাজপথে পথে দীর্ঘ মিছিল-আন্দোলন-সংগ্রাম আর শেষাবধি পতন————–। শুরু হলো নব অধ্যায়ের। কিন্তু মাত্র আঠারো বছর। ৯১ থেকে ২০০৮। কত কিছুই হলো,কিন্তু পরিবর্তন হলোনা। যে তুমি অস্ত্রহাতে যুদ্ধে নেমেছিলে সে তুমি আজ একই হাতে গুলি ছুড়ো বন্ধুর দিকে। তোমার এখন নিজস্ব পেটোয়া বাহিনী,টেন্ডার নিয়ন্ত্রনে মাঠে নামে তোমার নিজস্ব একদল গ্র“প। নষ্ট হওয়া,ক্ষয়ে যাওয়া-পঁচে যাওয়া ছাত্ররাজনীতির তথাকথিত নেতাদের লালন পালন করো। দেশ নয় এখন দলই অনেক বড় তোমার কাছে। সহযোদ্ধাদের জন্য একদিন জীবন বাজি করা সেই তুমিই আজ কেড়ে নাও আরেক সহযোদ্ধার জীবন। লাশ হয়ে ঘরে ফেরে একজন তাজুল ইসলাম, আহসানউল্লাহ মাস্টার,হুমায়ুন কবির বালু,আইভী রহমান, —-। লাশের মিছিল ধীরে ধীরে বড় হয়। তোমার আর তোমাদের হাত ক্রমশ রক্তাক্ত। রক্তাভ স্বদেশের মৃত্তিকাও।
একদিন সমাজ বদলের স্বপ্ন দেখা তুমি চলমান সমাজের এক ভয়াবহ কীট। তোমাদের বদলে যাওয়া,তোমাদের শোষক হওয়া,তোমাদের আদর্শবিরোধী রুপান্তর আমাকে বড় ভাবনায় ফেলে। আমাকে নতুন করে ভাবতে শেখায় সব। আমিও বদলে যেতে থাকি ভেতরে ভেতরে। একদিন তোমাকে আদর্শ মেনে যে আমি নিয়েছিলাম জীভনের সবচে শুদ্ধতম পাঠ,সেই আমিই তোমার প্রতি-তোমাদের প্রতি ঘৃণায় নীল হই। আমার বদলে যাওয়া হয়থ ভাবান্তর জাগায়না তোমার বদলে যাওয়া মননে। কিন্তু তুমি নিশ্চিত জেনো,আমার বদলে যাওয়া,আমাদের বদলে যাওয়া মানেই একটি ইতিহাসের সমাপ্তি,আমি নির্বাক হলেই তোমার,তোমাদের পতন অনিবার্য ।

খবরের ফেরিওয়ালার মগজ বিক্রি হচ্ছে হাঁটে
মোনাজাতউদ্দীন-ফখরে আলম,রুকুনুদ্দৌলারা প্রতিদিন কুঁড়ে খায় আমায়। পথে থেকে পথে,গ্রাম থেকে গ্রামে, এই শহর থেকে ওইশহর ঘুরে কত খবর প্রতিদিন কত সংবাদপত্রের পাতায় পাতায় আসে। রাশি রাশি খবর। কোনটা মানবিক,কোনটা নান্দনিক,কিছু খবর বেদনার আবার কিছু খবর আনন্দের। সারাদেশের,সারা পৃথিবীর সব খবর নিয়ে প্রতিদিন সকালেই হাতে আসে তরতাজা খবরের পত্রিকা। নানা খবরে নানা প্রতিক্রিয়া পাঠকের। কখনো হাসি,কখনো কান্না আবার কখনো কেবলি দীর্ঘশ্বাস। কিন্তু কেউ জানেনা খবরের পেছনের খবর। সংবাদটি তৈরি হওয়ার গল্পটি আড়ালেই পড়ে থাকে। তবু একদিন খবরের নেশায় নিজের অজান্তেই আমরা হয়ে উঠি সংবাদের ফেরিওয়ালা । একটি সংবাদের জন্য কত পথ ঘুরি,কত ফোন,কতজনের কাছে কত কি জানতে চাই। কত প্রলোভন,কত হুমকী,কত অনিশ্চয়তা তবুও খবরের খোঁজে ঘুরি পথ থেকে পথে,ঘাট থেকে নগরে বন্দরে। চাকরীর অনিশ্চয়তা,জীবনের নানা দৈন্য,বেতন বৈষম্য, বুর্জোয়া দুর্নতিবাজ মালিক,মালিকের তাবেদার সম্পাদক-বার্তা সম্পাদক, মালিকপক্ষের নানা আদর্শ আর পলিসি,চাকরীর জ্যামিতিক সরলীকরণ সবকিছু ভূলে প্রতিদিন ভোর থেকে গভীর রাত কেটে যায় একজন সংবাদকর্মীর। সাংবাদিকেরা কারও বਬઓ নয়, আবার কারও শਠઔও নয়৷ তাঁরা যা সতઘ, তাই পઝকাশ করেন৷ এ জনઘ কখনো োকউ সাংবাদিককে বਬઓ মনে করে না৷ তাই সাংবাদিকেরা বਬઓতં ও বਬઓহীনতার মধেઘ বাস করেন৷ সাংবাদিকদের োকানো বਬઓ োনই৷ আজ োয তাঁকে ভালোবাসে, কাল োস ঘৃণা করে৷ বਬઓতં এবং বਬઓতંহীনতার মধেઘ একজন সাংবাদিককে বাস করতে হয়। সাংবাদিকদের ভઓল হয়৷ কিੰ੫ তা কখনোই ই੧ছাকৄত ভઓল নয়৷
তবুও নানা সীমাবদ্ধতা আছে। এই মহৎ পেশা আজ আর মহৎ নেই। যোগ্যতার সংকটে আজ প্রশ্নের মুখে সংবাদকর্মীরা। আমরা এখনকার সাংবাদিকরা যেনো দিনে দিনে ঠুটো জগন্নাথ। পড়াশুনা নাই। পড়াশুনা মানে কেবল একাডেমিক নয়- ইতিহাস,রাজনীতি,অর্থনীতি,বিশ্ব রাজনীতির গতিপ্রবাহ। সাংবাদিকদের অধিকাংশই এইসব খবর রাখিনা। রাখার প্রয়োজন মনে করিনা। কলম আর কাগজ আর ইদানীং এর টিভি চ্যানেলের লোগো সম্বলিত মাইক্রোফোন হাতে পেলেই নিজেকে মনে করে দুনিয়ার সবচে শক্তিশালী মানুষ। যা খুশি তাই লিখি। কারো বক্তব্যের ধার ধারিনা,কাউকেই পরোয়া করিনা। আর এখন আবার চালু হয়েছে বিনিময় প্রথা। আমি আপনার নিউজটি করব আর আপনি আমাকে একটা প্যাকেট দেবেন। প্যাকেটে দুইশ থেকে দুই হাজার থাকতে পারে,কখনো কখনো তারো বেশি। আপনার গাউড লাইন অনুসারেই ছাপা হবে আমার সংবাদ। আমাকে এখন আমি পরিচালনা করিনা,করে মার্কাওয়ালা নেতারা,ধান-চালের আড়তধার,কালোবাজারি, নির্বাহী প্রকৌশলী,বন সংরক্ষকরা। নিয়মিত মাসোয়ারা চলে আসে কোন কোন জায়গা থেকে। তাহলে আজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে আমার মূল্যবোধ ! সাংবাদিককে আজ নিরাপদে কিনে নিতে চায় মার্কাবাজ ঠিকাদার,গোপন সমঝোতার তথ্য প্রকাশ না করার শর্তে। সাদা আর হলুদ খামে মুদ্রা আসে,সাদাসিদে জীবনে সাময়িক চাকচিক্যও আসে কারো কারো। কিন্তু আসলেই জীবন বদলায়না। তবে কেনো বিক্রি হওয়া ? তবে কেনো অসৎ প্রকৌশলী,দুর্নীতিবাজ আমলা,বনবিভাগের ডিএফও,রেজ্ঞার,কাঠ ব্যবসায়ী,চালের কালোবাজারি,পঁচে যাওয়া রাজনীতিবিদ কিনে নিতে চায় মগজের বিশুদ্ধ কোটর ? কিছুটা আলো চাই,শুদ্ধ আলো,মুক্ত আলো। আগামীর কোন পূর্ণিমায় এই শহরের সব তরুণ সাংবাদিক হয়ত হাতে হাত রেখে শপথ নেবে ‘‘আমরা কোনদিন বিক্রি হবোনা,বিক্রি হওয়ার জন্য আমরা সাংবাদিক হতে আসি নাই । ” এই সমাজের,এই শহরের যাবতীয় অপকর্মের মুখোশ খুলে দেবে আগামীর কোন সাহসী সাংবাদিক,জীবনের কাছেও আপোষ করবেনা যে।

এসো হাতে হাত ধরি,হেঁটে যাই পরস্পর ——
বর্গীরা নিয়ে যায় সব। হ্রদের মাছ,বনের গাছ আর আমাদের চিরায়ত সং®কৃতি। আসে,কেনে এবং বিক্রি করে চলে যায়,মুনাফা নিয়ে। পেছনে পড়ে থাকে এখানকার পাহাড়ী-বাঙালী শ্রমজীবি মানুষের হাহাকার। বর্গীরা কেড়ে নেয় মানবিক মূল্যবোধ। নষ্ট করে দেয় পাহাড়ের চিরায়ত ঐতিহ্য। পাহাড়ী-বাঙালীর মেলবন্ধন। শহরের সব স’মিলে জমে কাঠের স্তুপ। বিএফডিসির ঘাট হয়ে শুল্ক দিয়ে বা ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন পাচার হয় হ্রদের মাছ। কারো মুনাফার পাহাড় গড়ে আর কেউ কেউ ক্রমশ বিপন্ন হয়। অস্তিত্বের সংকটে পড়ে স্থানীয় মানুষ। আর জনমানুষের সম্পদ লুট করে প্রাসাদ উঠে চম্পকনগর,কালিন্দীপুর, চান্দগাঁও,পান্থপথ,বাগিচা গাঁও। দুরত্ব বাড়ে মানুষে মানুষে,পাহাড়ী-বাঙালীতে। শোষকেরা চুষে নিয়ে যায় সব রস,আর আঁটি নিয়ে সংঘাতে লিপ্ত হয় নিরন্ন মানুষ। ভূমি বেদখল হয়,আগুনে পুড়ে বিরাণ সবুজ পাহাড়-বসতবাড়ী,নষ্ট করা হয় আনারস বাগানসহ ক্ষেতের ফসল। বনবিভাগের কুশলী কর্মকর্তা খালি হাতে এসে বৌয়ের আঁচল ভরে নিয়ে নিয়ে যায়,টাকা পয়সা,সোনাদানায় ।
ভূমির দখল নিয়ে মরিয়া হয়ে উঠে ভূমিহীন মানুষ। আর মদ আর জুয়ার আসরে মাতাল দেওয়ান,তালুকদার,চৌধুরী,ভূঁইয়ারা। জাতিগত পরিচয় বিলিন সেখানে। সমস্ত শোষক এক কাতারে,একই বিছানায় একই কামে গমন করে। স্বার্থ যতটা কাছে আনে তাদের,প্রয়োজন ততটা দুরে সরিয়ে দেয় সাধারণ পাহাড়ী-বাঙালীদের। সাধারণ মানুষের সংঘাত সংক্ষাদপত্রে শিরোনাম হয়ে আসে,অসাধারণদের যত কীর্র্তিবলাপ আড়ালে চাপা পড়ে। ব্রিটিশ বেনিয়াদের দীক্ষা নিয়ে চেতনাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখে শহরের অভিজাতরা। সুশীলরা মগ্ন নিজস্বতায়। গড়ে উঠেনা তোমার আমার মিলনের যৌথ খামার। এসো বন্ধু,তুমি আমি মিলি পরস্পর।বহুদূর যেতে হবে বলে। একসাথে,একইভাবে,একই গন্তব্যে।

একদিন সবাই ফিরে যায়,নিজস্ব ঠিকানায়
ঘরে ফিরবেনা বলে ঘর ছাড়ে ছেলেটি। শূণ্য পকেটে অভিমানী হৃদয়ে ছেড়ে যায় নিজস্ব বাড়ী,সীমানা প্রাচীর,রুক্ষ শহর,জলজ উপত্যকা,আর কত সব,চিরচেনা পথ। হেঁটে হেঁটে পেরিয়ে যায় পাড়ার সর্বশেষ গলিটিও। তাপর কিভাবে শহর ছাড়ে সে কেউই জানেনা। শহরময় কত কথা,কত রটনা। সব গল্পই শেষাবধি রুপকথা হয়ে যায়। সময়ের বৃত্তে পড়ে ভুলে মানুষ কত কী ! কিন্তু ছেলেটিকে ভূলেনা। কবিতায়-গল্পে উত্তর প্রজন্মের কাছে বারবার ফিরে আসে সে। নানা ভাবে,নানা বর্ণনায়। দুর পরবাসে ছেলেটি কি এখনো কবিতা লেখে,সেই ভাবনাও আছে কারো কারো মাঝে। সবার সব ভাবনার উর্ধ্বে উঠে ছেলেটি এখন ভালোই আছে। টেমস নদীর তীওে তাকে চেনেনা কেউই। যে শহরে চিনতো সবাই সেখানে তাকে নিয়ে গল্প লিখে পুরনো বন্ধূরা,মাঝে মাঝে সুনীল বাবুর খুপরিতে আলোচনার ঝড় উঠে তাকে নিয়ে। নতুন যগের ছেলেরা নতুন লিটলম্যাগে ছাপে তার পুরনো গল্প-কবিতা। অনেক দিন আগের,তবু এখনো কী আধুনিক। এই শহের কি আর আসা হবেনা আপনার রুমি ভাই ?? প্রিয় শাহরিয়ার রুমি। কত গল্প জমে আছে,আপনার জন্য। না না ভয় নেই,এই শহরে আপনাকে রেখে দেবোনা আমরা,সব গল্প শেষে আপনি আবার ফিরে যেতে পারবেন আপনার নিজস্ব ঠিকানায়। এইভাবে আপনার মতো করেই একদিন সবাই ফিরে যায়,যে যার নিজস্ব ঠিকানায়। পেছনে পড়ে থাকে-শিশু নিকেতন,সাধারণ পাঠাগার—————।

ঘর ছাড়িয়া বাহির হইয়া জ্যোৎস্না ধরতে চাই,
হাত ভর্তি চান্দের আলো,ধরতে গেলেই নাই—
দুরে কোথাও একাকী ডেকে চলে নিঃসঙ্গ গাঙচীল। সাঁঝের আলো নিভে যাওয়ার আগেই চেতনা হিম হয়ে থাকে এক চেনা ছাত্রনেতার। শহুর দাপিয়ে বেড়ায় পুরোনো কোটিপতির নব্য সমাজসেবক পুত্র। পদ পায়, আরো নতুন পদের সন্ধানে এখানে সেখানে ঢু দেয়। ভোটের রেসের মাঠে নেমে গনেশ উল্টে যায় বিদ্যুৎ সেবক অথবা সুরম্য প্রাসাদমালিক এর সন্তানদের। অবাক জনগণকে বোঝা বড় দায়। কখনো অষ্টম শ্রেণী,কখনো পুরো শূণ্য। আবার কখনো কখনো মার্কাওলা মাস্টার্স। কখনো নাপ্পি ঘাটা কখনো চম্পক,কখনো ডিসি বাংলো,কখনো মন্ত্রীপাড়া।
এভাবেই এক দরজা থেকে আরেক দরজায় দৌড়াদৌড়ি করে ক্ষমতার পতাকা। জনতার ভীড়ও নিত্য নতুন সড়কে,পাঁচ বছর অন্তে অন্তে। ভালোই। বোধের সীমানা পেরিয়ে চেতনারা হিম হয়ে পড়ে থাকে ড্রয়িংরুমের ফ্রিজে। আমরা বদলাতে চাই,বদলাতে যাই। কিন্তু পারিনা,পারতে দেয়না। কে? যার টাকায় কেনা অফসেটে লিখি নিজের যন্ত্রনা,বেদনার সাতকাহন। সম্পাদকীয় চোখের আড়ালেই একদিন বেরিয়ে যায় আমার বুলেট। আমার ছোঁড়া বুলেটে যাদের মৃত্যু অনিবার্য তারা আমার ক্ষমতাকে ক্ষমা করো। সব ক্ষমতার শক্তি এক নয়। আমার দিকে তাকালেই প্রিয় পাঠক তুমি নিশ্চিত বুঝে যাবে- কী নিদারুন অক্ষমতায় এক তরুন নিজের বেদনার কথা লিখে যায়।

Check Also

এখনো গোপন রক্তক্ষরণে বৃষ্টির মুখরতা…

অন্তজঃ বৃক্ষের গল্প—– গল্পের খোঁজে ..স্বপ্নের খোঁজে পথে পথে ঘোরে ছেলেটি । বহুকাল। দীর্ঘ অনেকগুলি …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

17 − 3 =